কার্যক্রম

উদ্দেশ্য

কার্যক্রম

বাস্তবায়নকারী কর্মকর্তা বাস্তবায়ন সময়কাল মাইলস্টোন/পারফরম্যান্স নির্ণায়ক মন্তব্য
দি কাস্টমস এ্যাক্ট, ১৯৬৯- এর ধারা ১৯৩ এবং মূল্য সংযোজন কর আইন, ১৯৯১ এর ধারা ৪২ মোতাবেক আপীল মামলাসমূহ নিষ্পত্তিকরণ। সংশ্লিষ্ট আইনসমূহের আলোকে আপীল আবেদনের পদ্ধতি সর্ম্পকে আপীলকারীকে পরামর্শ দান এবং উক্ত আইনের বিধান সম্পর্কে বাদী- বিবাদী উভয়পক্ষকে অবহিত করন। কমিশনার সার্বক্ষনিক সংশ্লিষ্ট ধারাসমূহের যথাযথ ব্যবহার ও প্রয়োগ ও সংশ্লিষ্ট সকলপক্ষকে অবহিত করা হচ্ছে।
যথাযথ পদ্ধতি ও আইনানুযায়ী দাখিলকৃত আপীল আবেদন গ্রহন ও কার্যক্রম পরিচালনা। (ক) আপীল মামলা আইনসঙ্গতভাবে দ্রুত নিষ্পত্তির লক্ষ্যে সংশ্লিষ্ট অফিসে মামলা সংশ্লিষ্ট মূলনথি চেয়ে পত্র লেখা।
(খ) মামলার শুনানীর জন্য বাদী ও বিবাদী উভয়কে নোটিশ প্রদান করা এবং নোটিশ প্রাপ্তি নিশ্চিত করার লক্ষ্যে প্রয়োজনে টেলিফোনে অবহিতকরন।
কমিশনার সার্বক্ষনিক সকল পক্ষের উপস্থিতিতে শুনানী গ্রহণ করা এবং যথাসময়ে যথাযথ পদ্ধতি ও আইনানুযায়ী সম্পন্ন করা।
বিচারিক দপ্তর হিসেবে দ্রুততম সময়ের মধ্যে আপীল মামলা নিষ্পত্তি বাদী ও বিবাদী উভয়পক্ষের বক্তব্য শুনে এবং মামলার গুনাগুন পর্যালোচনাপূর্বক সঠিক বিচার পদ্ধতি অনুসরণ করে নিরপেক্ষভাবে দ্রুততম সময়ে বিচারকার্য সম্পন্ন করা কমিশনার সার্বক্ষনিক দ্রুততম সময়ের মধ্যে আপীল মামলা নিষ্পন্ন করা।
সম্মানিত ট্যাক্স পেয়ার ও আপীল আবেদনকারীকে সেবা প্রদান (ক) কাউকে অন্যায়ভাবে অধিকার ও সুযোগ থেকে বঞ্চিত না করে ন্যায়বিচার প্রাপ্তির পরিবেশ সমুন্নত রেখে বিচার প্রার্থীর যুক্তিসঙ্গত ও প্রাসঙ্গিক বক্তব্য শুনে তাঁর সমস্যার আইনানুগ সমাধান করা।
(খ) বাদী ও বিবাদী উভয়পক্ষকে বক্তব্য পেশের পর্যাপ্ত সুযোগ নিশ্চিত করে সরকার কর্তৃক নির্ধারিত সময় সীমার মধ্যে আপীল মামলা নিষ্পত্তি করা।
(গ) আপীল কমিশনারেটের সিদ্ধান্তে সরকারপক্ষ বা আপীলকারীপক্ষ সংক্ষুদ্ধ হলে যাতে স্বল্পতম সময়ে ঐ সিদ্ধান্তের বিরুদ্ধে তাঁরা আপীলাত ট্রাইব্যুনালে আপীল আবেদন করতে পারে তার জন্য প্রয়োজনীয় সহযোগিতা করা।
কমিশনার সার্বক্ষনিক ন্যায়বিচার নিশ্চিতকরণ।